Wednesday, March 5, 2025

 আমাদের সমাজে অনেক সময় সরলতা বা বিশ্বাসযোগ্যতা দুর্বলতা হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এই সরলতার সুযোগ নিতে পারে। কিন্তু কিভাবে বুঝবেন কেউ আপনার সরলতার সুযোগ নিচ্ছে? আসুন জেনে নিই কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

১. আপনাকে সবসময় ব্যবহার করা হচ্ছে।


আপনি কি অনুভব করেন যে কেউ আপনাকে শুধু তার সুবিধার জন্য ব্যবহার করছে? যদি কেউ সবসময় সাহায্য চায় কিন্তু কখনো আপনাকে সহায়তা না করে, তাহলে বুঝতে হবে সে আপনার সরলতার সুযোগ নিচ্ছে।


২. আপনি বারবার ঠকছেন।


আপনার আশেপাশের মানুষ কি বারবার আপনাকে মিথ্যা বলে বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে? তারা কি শুধু আপনাকে তখনই খোঁজে যখন তাদের প্রয়োজন পড়ে? এটি বড় লক্ষণ যে আপনার সরলতার সুযোগ নেওয়া হচ্ছে।


৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাবিত হওয়া।


আপনার কি মনে হয় যে অন্যরা সবসময় আপনাকে তাদের মতামত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে? যদি তারা আপনাকে দোষারোপ করে বা মানসিক চাপে রাখে, তবে সেটি আপনার সরলতার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা হতে পারে।


৪. আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি সৃষ্টি।


যদি কেউ সবসময় আপনার আত্মবিশ্বাস নষ্ট করার চেষ্টা করে এবং আপনাকে বোঝাতে চায় যে আপনি নিজের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না, তবে বুঝতে হবে এটি একটি নিয়ন্ত্রণমূলক কৌশল।


৫. আর্থিক বা ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়া।


কেউ যদি আপনাকে বারবার আর্থিক সাহায্য চায় বা ব্যক্তিগত কোনো সুবিধা নেয়, অথচ বিনিময়ে কিছুই দেয় না, তবে এটি আপনার সরলতার সুযোগ নেওয়ার স্পষ্ট উদাহরণ।

কিভাবে প্রতিরোধ করবেন?


১. না বলতে শিখুন – সবার অনুরোধে হ্যাঁ বলা জরুরি নয়।


২. নিজের মূল্য বোঝার চেষ্টা করুন – আপনার অনুভূতি ও স্বার্থেরও গুরুত্ব রয়েছে।


৩. সীমা নির্ধারণ করুন – কারো সাথে কতটুকু সাহায্য করবেন বা যুক্ত থাকবেন তা ঠিক করুন।


৪. বিশ্বাসযোগ্য ও সচেতন হোন – অন্ধবিশ্বাসের পরিবর্তে তথ্য যাচাই করুন।


৫. স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক বজায় রাখুন – শুধুমাত্র পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধসম্পন্ন সম্পর্কগুলোকেই মূল্য দিন।


নিজেকে রক্ষা করতে সচেতন হওয়া খুবই জরুরি। সরলতা একটি মহৎ গুণ, কিন্তু এটি যেন দুর্বলতায় পরিণত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

Saturday, March 1, 2025

 বৃদ্ধ বয়সে ভালো থাকার ২০ উপায়:

১. সন্তানদের জীবনে বেশি জড়িয়ে পড়বেন না।

২. নাতি নাতনিদের লেখাপড়ার বিষয়ে বেশি নাক গলাবেন না।

৩. পুত্রবধূ ও জামাইকে ভালোবাসুন, ওরা আপনার ছেলেমেয়েদের পছন্দের মানুষ।

৪. সন্তানদের বৈবাহিক ব্যাপারে বেশি মতামত দেবেন না।

৫. ঘ্যানঘ্যানে স্বভাব বর্জন করুন।

৬. একাধিক সন্তান থাকলে নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন। পক্ষপাতিত্ব বা দলাদলি করবেন না।

৭. আমাদের সময়ে এটা হতো ওটা হতো সারাদিন এসব কথা বলবেন না। ওগুলো অতীত, আপনার ইতিহাস যা নিয়ে কেউ ইন্টারেস্টেড নয়।

৮. রাজনীতি নিয়ে বেশি মাতামাতি করবেন না। আপনি কিছুই পাল্টাতে পারবেন না।

৯. নিজের অসুস্থতা  নিয়ে যতটা সম্ভব কম কথা বলুন।

১০. উপার্জন থাকলে প্রতি মাসে সঞ্চয় করুন।

১১. নিজের ভবিষ্যৎ চিকিৎসার জন্য আলাদা সেভিংস রাখুন।

১২. নিজের শেষকৃত্যের জন্য সুব্যবস্থা করে রাখুন।

১৩. ভবিষ্যতের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রাখুন। বুড়ো হয়েছেন বলে আপনার সবকিছু শেষ হয়ে যায়নি।

১৪. আনন্দের জন্য সিনেমা দেখুন বা গান শুনুন।

১৫. কোনো সংবাদেই বিচলিত বা উত্তেজিত হবেন না। জীবনকে নির্মোহ এবং নির্লিপ্তভাবে গ্রহণ করুন।

১৬. কিছু না করে চুপ করে বসে থাকবেন না। কর্মচঞ্চল থাকার চেষ্টা করুন। বাগানের কাজ করুন, পারলে রান্না করুন, ব্যায়াম করুন বা হাঁটতে যান।

১৭. ব্যাক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। শরীরের যত্ন নিন। সাজগোজও চালু রাখুন।

১৮. বয়সকে সাদরে গ্রহণ করুন। প্রতিদিন আনন্দ নিয়ে বাঁচুন।

১৯. নিজেকে কারো দয়ার পাত্র বানাবেন না।

২০. বেড়াতে যাওয়া, বাইরে খাওয়া বা অন্য কোনো আনন্দের সুযোগ নষ্ট করবেন না। হাতে আর সময় নাও থাকতে পারে।❣️💕💞

সংগৃহীত তথ্য

Friday, February 28, 2025


ড. ইউনুস সাহেবের বক্তব্য ১ ঘন্টা হলে ধৈর্য ধরে শুনলাম। তিনি কখনও অ-কাজের কথা বলেন না।


সবচেয়ে যেটা আমাকে বেশী আকর্ষণ করে সেটা হলো তিনি কখনও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করেন না,অস্বীকারও করেন না,ছোটও করেন না আবার মহাভারত বি শা ল ও বলেন না। ইতিহাস ইতিহাসের জায়গায় রেখে দেন।


কারও কোন সমালোচনা বা ব্যাঙ্গ করে কথা বলেন না।

তিনি কাউকে ভয় দেখান না,প্রতিশোধ নিবেন ও না। তিনি নিজেকে নিয়ে অহংকার করেন না।


দুনিয়ার কারও চাটুকারিতাও করেন না।

তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন না, রাগ করে কথাও বলেন না। তিনি ঠান্ডা মাথার এক দারুণ খেলোয়াড়।


তিনি ভবিষ্যতের কথা বলে। স্বপ্নের কথা বলেন। তরুণদের এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।


তিনি কোন ধর্ম নিয়ে ক্রিটিসাইজ করেন না। তিনি এক অনন্য অসাধারণ ব্যক্তিত্ব।


এটাকেই বলে আন্তর্জাতিক ব্যাক্তিত্ব।

 শ‍্যামলবাবু অবসরের পর পাওয়া ৬২ লাখ টাকা এক ব‍্যাংকে স্ত্রীর সঙ্গে যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখেন। ATM কার্ডের PIN-ও স্ত্রীকে জানিয়ে রাখেন। কখন কি দরকার পড়ে,বলা যায় না।


শ‍্যামলবাবু একদিন বাইরে যাওয়ার সময় ভুল করে নিজের মোবাইল ফোনটি বাড়িতে রেখে যান। "কোথাও কি পড়ে গেল?" এই চিন্তা করতে করতে দ্রুত পায়ে বাড়ি ফিরে আসেন এবং দেখেন মোবাইলটা টেবিলের উপরেই আছে। দু:শ্চিন্তা দূর হতেই স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন,"কোন ফোন এসেছিল?"


স্ত্রী বললেন,"ব‍্যাংক থেকে ম‍্যানেজার ফোন করেছিলেন।"


শ‍্যামলবাবু শুনেই ঘামতে শুরু করলেন। জিজ্ঞাসা করলেন, "ম‍্যানেজার কি বললেন?"


"উনি আমাদের যৌথ অ্যকাউন্ট আপডেট করার জন্য কিছু তথ্য জানতে চাইলেন এবং বললেন একটা OTP যাবে মোবাইলে এবং সেটা জানালেই অ্যাকাউন্ট আপডেট হয়ে যাবে।"-স্ত্রী বললেন।


শ‍্যামলবাবুর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপক্রম। সমস্ত সঞ্চয় বোধহয় শেষ হয়ে গেল! গলা শুকিয়ে গেল। খবরের কাগজে রোজ যা দেখেন! উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন,"তুমি কি OTP বলে দিয়েছ?"


"ব‍্যাংক ম‍্যানেজার জিজ্ঞাসা করলেন,আমি কি না জানিয়ে পারি?"


শ‍্যামলবাবু চেয়ারে বসে পড়লেন,দরদর করে ঘামতে শুরু করলেন নি:স্ব হয়ে যাওয়ার ভয়ে। ভয়ে ভয়ে মোবাইলটা তুলে নিয়ে অ্যাকাউন্টে ব‍্যালান্স চেক করলেন। অবাক বিস্ময়ে দেখলেন অ্যাকাউন্টে ৬২ লাখ টাকাই আছে। গ‍্যাংটি টাকা সরিয়ে নিতে পারেনি। ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল। 


স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন - "কত নম্বর OTP এসেছিল?"

স্ত্রী বললেন-৮০৮২

"তুমি ঠিকঠাক বলে দিলে?"

"আমি ৪০৪১ বলেছি। আমিতো পুরোটা বলতে পারিনা। যৌথ অ্যকাউন্ট,তাই হাফ বলেছি। আমি তো ব‍্যাংকের কর্মচারীর স্ত্রী,জানি এ টাকার অর্ধেক তো আমার। তাই OTP-ও হাফ বলেছি।"


শ‍্যামলবাবু স্ত্রীকে কি বলবেন বুঝে উঠতে পারছেন না।


#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅

Monday, November 18, 2024

রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড থেকে ৫ শিক্ষা


বই থেকে শেখা


এম এম মুজাহিদ উদ্দীন


আমেরিকান ব্যবসায়ী এবং লেখক রবার্ট তোরু কিয়োসাকির লেখা ‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ বইটি ১৯৯৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। বইটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকে ব্যক্তিগত আর্থিক উন্নতির বইয়ের ক্যাটাগরিতে বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রীত হিসেবে স্বীকৃত। বইটি পড়লে আর্থিক উন্নতি, বিনিয়োগ ও সম্পদ বিষয়ে গতানুগতিক ধারণা বদলে দেবে।


সম্পদ এবং দায়বদ্ধতার পার্থক্য বুঝুন


বইটির লেখক কিয়োসাকি বলেছেন, বেশির ভাগ মানুষ সম্পদ এবং দায়বদ্ধতার পার্থক্য বুঝতে পারেন না। সম্পদ হলো এমন জিনিস, যার ফলে টাকা তৈরি হয়। যেমন: রিয়েল এস্টেট, স্টক এবং ব্যবসা। অন্যদিকে দায়বদ্ধতা হলো এমন জিনিস, যা আপনার পকেট থেকে টাকা বের করে দেয়। যেমন: বাড়ি-গাড়ির ঋণ, ক্রেডিট কার্ডের ঋণ প্রভৃতি। যেমন: কেউ যদি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ি কেনেন, তাহলে সেটি তাঁর সম্পদ নয়, সেটি একটি দায়। কেননা এর থেকে কোনো আয় আসছে না। যে টাকা আসছে, তা ঋণের কিস্তি দিয়ে সব খরচ হয়ে যাচ্ছে। ফলে এটি সম্পদ না হয়ে দায় হয়ে যাচ্ছে।


আর্থিক শিক্ষা গ্রহণ করুন। 


এই বইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো আর্থিক সাফল্যের জন্য আর্থিক শিক্ষা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হলেও অনেকের আর্থিক শিক্ষা থাকে না। ফলে শিক্ষিত হলেও অনেকের জীবন থেকে দরিদ্রতা যায় না। বইটিতে ধনী বাবা এবং গরিব বাবার কথা বলা হয়েছে। গরিব বাবা সুশিক্ষিত ছিলেন এবং চাকরি করে বেতন পাওয়ায় বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি আজীবন গরিব থাকেন। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক কম শিক্ষিত হলেও তাঁর ধনী বাবা আর্থিকভাবে বেশি শিক্ষিত ছিলেন। তিনি সম্পদ গড়ে তুলতে এবং আর্থিকভাবে স্বাধীন হওয়ার জন্য অর্থ বিনিয়োগ ও ব্যবসা চালাতে বিশ্বাস করতেন।


টাকার জন্য কাজ করবেন না


গরিবরা শুধু টাকার জন্য কাজ করেন, অন্যদিকে ধনীরা শুধু টাকার জন্য কাজ করেন না। তাঁরা এমন কাজ করেন, যা থেকে দক্ষতা অর্জন হয়। আপনি যদি শুধু বেতনের জন্য কাজ করেন, তাহলে ইঁদুরের দৌড় থেকে কখনোই বের হতে পারবেন না। প্রকৃত সম্পদ অর্জন করতে পারবেন না। তবে, আপনি যদি নতুন দক্ষতা বিকাশের জন্য কাজ করেন, তাহলে আপনি ধীরে ধীরে আরও প্রতিভাবান হয়ে উঠবেন। একই সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে নিজের জন্য অর্থ উপার্জনের নতুন সুযোগ তৈরি করবেন। ওই দক্ষতা দিয়ে বিভিন্ন রকম আয়ের উৎস তৈরি করতে পারবেন।


আর্থিক ঝুঁকি নিন


ধনী হওয়ার জন্য আর্থিক ঝুঁকি নিতে হবে। আপনি যদি সবার মতো একই পথ অনুসরণ করেন, তাহলে আপনি সবার মতো ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাবেন। জীবনে আর্থিকভাবে সফল হতে পারবেন না। আপনি ভিন্ন কিছু পেতে চাইলে আপনাকে ভিন্ন কিছু করতে হবে। ধনীরা নতুন জিনিস চেষ্টা করে এবং তাদের পাশ কাটিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে বিভিন্ন সুযোগ অন্বেষণ করে। আপনি যদি প্রচুর মুনাফা অর্জন করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই উচ্চ ঝুঁকি নিতে হবে।


খরচকে নিয়ন্ত্রণ করুন


কত টাকা মাসে আয় করলেন তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো খরচ শেষে মাসে কত টাকা আপনার সঞ্চয় থাকল। উদাহরণস্বরূপ, আপনি মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় করে সব টাকা খরচ করে ফেলার চেয়ে ৩০ হাজার টাকা আয় করে মাস শেষে ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় থাকলে সেটি উত্তম। একমাত্র ওই টাকাই আপনার জীবনে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে, যে টাকা আপনি সঞ্চয় করেন। ধনী হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ হলো টাকা আয় করা। তবে আপনাকে শুধু বেশি টাকা আয় করা শিখলে চলবে না। সেই টাকা কীভাবে ব্যবহার করতে হবে, সে দক্ষতা থাকতে হবে।


সোর্স: আজকের পত্রিকা

 

Saturday, November 9, 2024

 বাংলাদেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়িক শিল্প সংস্থা নাভানা গ্রুপের নাম শুনেননি এমন মানুষের সংখ্যা হয়তো খুবই কম। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না ভুল ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত, লাগামহীন ঋণ, অব্যবস্থাপনা এবং সুশাসনের অভাবে দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক গ্রুপটি অনেকটাই খাদের কিনারায় চলে গিয়েছিল।


গ্রুপটির ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, "আমাদের এখানে উদ্যোক্তারা নিজের শক্তির বাইরে গিয়ে সব ব্যবসা করতে চায়। এটা উদ্যোক্তাদের ইগো সমস্যা।" এই যে নিজের শক্তির বাইরে গিয়ে ব্যবসা করতে চাওয়া এটাকে বলে 'দ্য ল অব এক্সক্লুসিভিটি'। ল অব এক্সক্লুসিভিটি ভায়োলেট করার জন্য চরম মূল্য দিতে হয় প্রতিষ্ঠানকে। অনেক উদাহরণ আছে যে, বহু প্রতিষ্ঠান শুধু ল অব এক্সক্লুসিভিটি ভায়োলেট করার জন্য খাদের কিনারে চলে গিয়েছে। 


একজন উদ্যোক্তা কিংবা ব্যবসায়ীকে শুধুই নিজের অফিসের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেই চলবে না। জানতে হবে ব্যবসার নাড়ীনক্ষত্র। জানতে হবে ল অব এক্সক্লুসিভিটির মতো আরো অসংখ্য নীতি। আর এসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে বই। বই আপনাকে আউট অব দ্য বক্স চিন্তা করা শেখাবে।


ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য প্রজন্ম পাবলিকেশনের বিশেষ আয়োজন রয়েছে। আমরা আপনাদের জন্য প্রকাশ করেছি অতীব জরুরী কিছু বই যা প্রত্যেক উদ্যোক্তা, প্রত্যেক ব্যবসায়ীর পড়া উচিৎ। গ্যারান্টি দিচ্ছি আমাদের বইগুলো থেকে আপনি এমন কিছু শিখবেন যা আপনার ব্যবসা কিংবা উদ্যোগকে গতিশীল করবে। যদি না করে তবে আপনি বইগুলো ফেরত দিয়ে টাকাটা ফিরিয়ে নেবেন।


ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য আমাদের বইগুলোঃ

1. স্টার্ট ইয়োর বিজনেস - 190 Tk

2. এক্স্যাক্টলি হোয়াট টু সে - 158 Tk

3. এক্স্যাক্টলি হোয়্যার টু স্টার্ট - 221 Tk

4. এক্স্যাক্টলি হাউ টু সেল - 316 Tk

5. সফল উদ্যোক্তা | দ্য হাই পারফর্ম্যান্স এন্টারপ্রেনার - 316 Tk

6. 22 সিক্রেট অব মার্কেটিং - 253 Tk

7. ছোট অভ্যাস বড় সাফল্য - 277 Tk

8. সুখী ও সুন্দর জীবনের ফরমুলা - 355 Tk

9. এটিচিউড ইজ এভরিথিং - 237 Tk

10. 22 সিক্রেট অব ব্র্যান্ডিং- 300 Tk


বইগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বা কিছু অংশ পড়ে দেখতেঃ https://projonmo.pub/product-category/non-fiction/business/ 


দশটি বই একত্রে ২৬২৩ টাকা। একত্রে পুরো সেট ক্রয় করলে ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি। এছাড়া ৫০ টাকা ডেলিভারি চার্জ যুক্ত হবে। ৫০০ টাকার ওপরের অর্ডারে সারাদেশেই ক্যাশ অন ডেলিভারির সুব্যবস্থা আছে।


অর্ডার করুন সরাসরি ওয়েবসাইটেঃ https://projonmo.pub/product-category/non-fiction/business/


অথবা নাম, সম্পূর্ণ ঠিকানা ও ফোন নম্বর ইনবক্সে দিন। আমরা আপনার দেওয়া ফোন নম্বরে কল করে কনফার্ম করে বই পাঠিয়ে দেব আপনার ঠিকানায়। শতভাগ নিশ্চিত হয়ে অর্ডার করার অনুরোধ।


*নাভানা গ্রুপের তথ্যটি দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের সৌজন্যে।

 

যে মানুষটাকে আপনি আজ খুব বাজে ভাবে ঠ'কালেন! সে মানুষটা আপনাকে অ'ভিশাপ দিক বা না দিক, আপনিও একদিন খুব বাজে ভাবে ঠ'কে যাবেন, হয়তো অন্য কারো কাছে নয়তো অন্য কোনো ভাবে, তবে ঠকে আপনি অবশ্যই যাবেন, কারণ! বাস্তবতা হচ্ছে-- তার থেকে আপনার মুক্তি মিললেও, তার রুহের হায় থেকে কখনোই আপনার মুক্তি মিলবে না;

কাউকে বিনা কারণে অ'ন্যায়ভাবে আ'ঘাত করলে, কারো সাথে বে'ঈমানী কিংবা প্র'তারণা করলে  সাময়িকভাবে আপনি নিঃসন্দেহে ভালো থাকবেন, তবে বেশি দিন ভালো থাকবেন না, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তো কখনোই নয়, আর ওপারের কথাটা না হয় না-ই বা বললাম;

বিশ্বাস ভাঙ্গার প্রতিযোগিতায় আপনি খুব দক্ষতার সহিত কারো বিশ্বাস ভা'ঙ্গছেন? আপনার দেওয়া দুঃ'খ - ক'ষ্টে প্রার্থনায় বসেও কেউ চোখের জল ফেলছে?
প্রস্তুত থাকুন আজ না হয় কাল আপনার বিশ্বাসও কেউ না কেউ ভা'ঙ্গ'বে, আপনার চোখের জলও কেউ না কেউ ফেলবে, ইচ্ছেকৃত ভাবে আপনি কারো ক্ষ'তিসাধন করলে আপনার ক্ষ'তিও কোনো না কোনো ভাবে হবেই, অন্যের দূ'র্বলতা, সরলতা কিংবা ভালোবাসার সুযোগ নিয়ে আপনি যা যা অ'ন্যায় করবেন, গোলাকার এই পৃথিবীতে ঘুরে ফিরে তার সবটাই ফিরে পাবেন, শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র;

আপনার অ'ন্যায়, অ'ত্যাচার, অ'বিচার, ব্য'ভিচার, অ'প'কর্ম, প্র'তারণা, ঠ'কানো, বে'ঈমানী
সব কিছু আপনি ভুলে যেতে পারেন, যার সাথে করেছেন সেও হয়তো কোনো দিন ভুলে যেতে পারে কিন্তু! প্রকৃতি কখনোই কোনো কিছু ভুলে না, তাই আপনার কর্ম ভালো হোক বা মন্দ! প্রকৃতি আপনাকে সেভাবেই সবটা ফিরিয়ে দিবে, ভালো কর্ম করলে ভালো, আর মন্দ কর্ম করলে মন্দ, সে যাইহোক না কেনো, তবে ফিরিয়ে আপনাকে অবশ্যই দিবে;

মনে রাখবেন! গোলাকার এই পৃথিবীতে ভালো মন্দ সব কিছুই ঘুরে ফিরে ফিরে আসে, মানুষের হিসাবে ভুল হলেও প্রকৃতির হিসাবে কখনোই ভুল হয় না, প্রকৃতি তার নিজস্বতায় সব কিছুর হিসাব খুব পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবেই রাখে, প্রকৃতি যে হিসাবে বড্ড পাকা, কর্মফল ভোগ না করিয়ে কখনো কাউকে ছাড়ে না;

জানেন তো?  ইংরেজিতে Revenge of Nature বলে একটা কথা আছে! বাংলায় যাকে প্রকৃতির প্রতিশোধ বলে, কিন্তু! আমরা যখন ঠকে গিয়ে ঠকবাজ, প্রতারক, বেঈমান, বিশ্বাসঘাতক ও চরিত্রহীন মানুষ গুলোকে ভালো থাকতে দেখি, তাও আবার দিনের পর দিন, বছরের পর বছর কিংবা যুগের পর যুগ ধরে, তখন আমরা বলি-- Revenge of Nature বলে কিচ্ছু হয় না, কিচ্ছু না, ওটা শুধুমাত্র সান্ত্বনার বাণী, কিন্তু না, মোটেও তা ঠিক নয়, এগুলো আসলে আমাদের আঘাতে আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাওয়া অশান্ত মনের অশ্রুকণা;

আসল কথা হচ্ছে -- আপনি সবাইকে ফাঁকি দিতে পারলেও প্রকৃতিকে কখনোই ফাঁকি দিতে পারবেন না, সবাই আপনাকে ছেড়ে দিলেও প্রকৃতি কখনোই আপনাকে ছেড়ে দিবে না, মনে রাখবেন! মানুষ যা পারে না প্রকৃতি তা খুব ভালো ভাবেই পারে, মানুষ যে হিসাব মিলাতে পারে না বলে, হিসাব খানি অপূর্ণ রয়ে যায়, প্রকৃতি সে হিসাব সময় মত কড়ায়গণ্ডায় মিলায়, মানুষ যে বিচারের ভার সৃষ্টিকর্তার হাতে ছেড়ে দিয়ে নীরবে নিভৃতে চোখের জল ফেলে সব সহ্য করে যায়, প্রকৃতি সে বিচারের সাজা এই দুনিয়াতেই ভো'গ করিয়ে নিয়ে যায়;

কাউকে অন্যায়ভাবে আ'ঘা'ত করা ছাড়ুন, ঠ'কিয়ে লাভবান হওয়ার চিন্তা বাদ দিন, প্র'তা'র'ণা করার মানসিকতার জলাঞ্জলি দিন, জীবনে এমন ভাবে বাঁচুন যেন আপনার দ্বারা কখনোই কারো ক্ষ'তি না হয়, আপনি যেন কখনো কারো দী'র্ঘ'শ্বা'সে'র কারণ না হন, জানেন তো? মানুষের দী'র্ঘ'শ্বা'স ভীষণ ভ'য়ং'ক'র, কারো দী'র্ঘ'শ্বা'সে'র কারণ হয়েছেন তো আপনার শা'স্তি অনিবার্য, তাই! জীবনে আর কাউকে পরোয়া করুন আর না করুন সৃষ্টিকর্তাকে পরোয়া করুন, মনে রাখবেন! তিনি ছা'ড় দিলেও ছে'ড়ে দেন না কখনো.!✍️ প্রতিচ্ছবি 


 নতুন বছরের 'রেজোলিউশন' অনেকে শুরু করে। কিন্তু শেষ করা তো দূরে থাক, পুরোটা এক সপ্তাহও চালিয়ে নিয়ে যেতে পারে না। সব এলোমেলো হয়ে পড়ে তিন-চার দিনের মধ্যেই।


ভেবে দেখলে বুঝবে, এর মূল কারণ দু'টো। 


এক, রেজোলিউশনে এমন সব কঠিন এবং অবাস্তব টাইমটেবিল বা কাজ সেট করা হয়, যা একজন মানুষের পক্ষে তীব্র কোনো তাগিদ ছাড়াই বেশিদিন টেনে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না। চাপ পড়ে শরীরে, মনে এবং অনেকক্ষেত্রেই ঘুমে। 


আর দুই, আর যদি কেউ নিষ্ঠাবানের অধ্যবসায় এটা নিশ্চিত করেও যে সে তার রেজোলিউশন পুরোটা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলবে, সেক্ষেত্রে বছর শুরুর প্রথম দিন থেকেই তার পক্ষে সম্পূর্ণ নতুন নিয়মে জীবনকে টেনে নিয়ে যেতে অসম্ভব প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ তার অভ্যাস নেই। আর এই দীর্ঘ অনভ্যাসের শেষে হঠাৎ করেই একদিন সকালে থেকে নতুন অভ্যাস কাঁটায় কাঁটায় মেনে চলা দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।


ওপরের এই দুই ক্ষেত্রেই সে তখন "কাল থেকে ঠিক করব" নামক কোনোদিন না করে ওঠার দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হয়। জীবন আবার বছরের গোড়া থেকেই এলোমেলো হয়ে পড়ে।


যদি চাও এমনটা ২০২৫-এর গোড়া থেকে নাহয় এবং তুমি তোমার রেজোলিউশন মোটের ওপর সারাটা বছর ঠিকঠাক মেনে চলতে পারো, তাহলে জাস্ট দু'টো কাজ করো। 


এক, একদম ছোট ছোট প্ল্যানে/কাজে তোমার দিনগুলো ভাগ করো, যাতে অতিরিক্ত চাপ না নিতে হয়। যাতে তোমার নিজের জন্যও যেন প্রত্যেকদিন একটা বরাদ্দ সময় থাকে। তোমার পরিকল্পনা হোক বাস্তব সম্মত এবং তোমার ব্যক্তিগত জীবনের অনুসারি।


দুই, যে প্ল্যান তুমি বানাচ্ছো, সেটা কতটা মেনে চলতে পারছো, তার ট্রায়াল অ্যান্ড এরর টেস্ট দিয়ে দাও। পারলে বারবার দাও। এতে তুমি নতুন প্ল্যানের সঙ্গে অভ্যস্ত তো হবেই সঙ্গে এটাও বুঝে নিতে পারবে যে প্ল্যানটা অনুসরণ করতে তোমায় কোথায় কোথায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এবং কি কি পরিবর্তন করলে তুমি সাবলীলভাবে সেই পরিকল্পনাটাকে দীর্ঘদিন চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। 


২০২৪ -টা অনেকের কাছ থেকেই অনেক কিছু ছিনিয়ে নিয়েছে। আর অপচয় তুমি করতে পারো না। এবার তোমার ঘুরে দাঁড়াবার পালা। বছরটা শেষ হবার ঠিক আগেও এই লেখাটা দিতে পারতাম। কিন্তু তাতে নিজেকে সামলে নেবার সময় পেতে না। 


নতুন বছর আসতে এখনো ৫৫ দিন বাকি। এখন থেকেই তাই দেখে নাও তোমাকে কোথায় পৌঁছাতে হবে আর তুমি এখন কোথায় দাঁড়িয়ে। এর সেই অনুসারে নিজেকে একটা নতুন ড্রাফ্ট রেজোলিউশনের সঙ্গে অভ্যস্ত করো, ভেঙেচুরে নাও, যাতে ১লা জানুয়ারি, ২০২৫ থেকেই তুমি তোমার ১০০% দিয়ে নিজেকে গড়ার কাজে লেগে পড়তে পারো।


তোমাদের সবার ভালো হোক!


বি.দ্র : পারলে শেয়ার করে দিও যাতে তোমাদের মতো অনেকে যারা জীবনে ছড়িয়ে পড়ছে, তারাও পেরিয়ে যেতে পারে।


লেগে থাকো। জেদে থাকো।

Thursday, November 7, 2024

 সফল হতে চান?

২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি খুঁজছেন,তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি, তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে। 


প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা:

যারা আপনার চাইতে এগিয়ে, তারা আপনার চাইতে

বেশি পরিশ্রমী। এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায় না।

শুধু পরিশ্রম করলেই সব হয় না। তা-ই যদি হত,তবে গাধা হত বনের রাজা। শুধু পরিশ্রম করা নয়, এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা। only your results are rewarded, not your efforts!


আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে? সবার দিনই তো ২৪ ঘণ্টায়। আমার বন্ধুকে দেখেছি, অন্যরা যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং করে। ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই!


আপনি বাড়তি কী করলেন, সেটাই ঠিক করে দেবে, আপনি বাড়তি কী পাবেন। আপনি ভিন্ন কিছু করতে না পারলে ভিন্ন কিছু পাবেন না। বিল গেটস রাতারাতি বিল গেটস হননি। শুধু ইউনিভার্সিটি ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস কিংবা জুকারবার্গ হওয়া যায় না।


আউটলায়ার্স বইটি পড়ে দেখুন। বড় মানুষের বড় প্রস্তুতি থাকে। নজরুলের প্রবন্ধ গুলো পড়লে বুঝতে পারবেন, উনি কতটা স্বশিক্ষিত ছিলেন। শুধু রুটির দোকানে চাকরিতেই নজরুল হওয়া যায় না। কিংবা স্কুল কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ হয়ে যাওয়া যাবে না। সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না, বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়।


স্টুডেন্ট লাইফে কে কী বলল, সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। যে ছেলেটা প্রোগ্রামিং করতেই পারত না, সে এখন একটা সফটওয়্যার ফার্মের মালিক। যাকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি, সে এখন হাজার হাজার মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। কেরিয়ার নিয়ে যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না, সে সবার আগে পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে। সব পরীক্ষায় মহা উৎসাহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন,কী পারেন না, এটা অন্য কাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না।


সরকারী ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে পড়ছেন? সবাই বলছে, আপনার লাইফটা শেষ? আমি বলি, আরে! আপনার লাইফ তো এখনো শুরুই হয়নি। আপনি কতদূর যাবেন, এটা ঠিক করে দেয়ার অন্যরা কে? লাইফটা কি ওদের নাকি? আপনাকে ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন? যেখানেই পড়াশোনা করেন না কেন, আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর।


একদিন আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে। তখন আপনাকে যা যা করতে হবে, সেসব কাজ এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড় হতে হলে কিছু ভাল বই পড়তে হয়, কিছু ভাল মুভি দেখতে হয়, কিছু ভাল মিউজিক শুনতে হয়, কিছু ভাল জায়গায় ঘুরতে হয়, কিছু ভাল মানুষের সাথে কথা বলতে হয়, কিছু ভাল কাজ করতে হয়। জীবনটা শুধু হাহাহিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য নয়। একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে, তখন দেখবেন, পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে, মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে। স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়। এসব একদিনে কিংবা রাতারাতি হয় না। নিজের কমফোর্ট জোন থেকে আগে বের হয়ে আসুন। 


আপনি যখন স্কুল কলেজে পড়তেন, তখন যে সময়ে আপনার ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকত, সে সময়ে আপনি তাকে দেখে হাসতেন। এখন সময় এসেছে, সে এখন আপনাকে দেখে হাসবে, আর আপনি থাকবেন পড়ার টেবিলে।


জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক মারতে হয়, সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলেন, যে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা, সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন না, এটাই স্বাভাবিক। এটা মেনে নিন।

মেনে নিতে না পারলে ঘুরে দাঁড়ান। এখনই সময়! কষ্ট করুন, লক্ষ্য ঠিক রাখুন, ব্যর্থ হবেন কিন্তু থামবেন না, এগিয়ে যান- ১০০০ বার ব্যর্থ হলে তা থেকে ১০০০ টা শিক্ষা নিন, তারপর সফলতা পান।


 মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে', তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন।বলতে চাইবেন না।

কথা বলতে চাওয়া ,দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা; তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।

একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।

 "তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই, "হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক। সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না। 


অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।


আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা। 

নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।


"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।

নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত ।  এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।


যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন একটা সুন্দর ভবিষ্যতের দায়ে। নিজের শান্তি বজায় রাখার জন্য একপ্রকার মরিয়া হয়ে উঠুন।

Wednesday, November 6, 2024


 মাস্টার্স পাশ করা ২৬/২৭ বছর বয়সী একজন যুবক-যুবতীকে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরিতে যোগদান করতে হয়। আর পড়ালেখা না জানা ১০, ১২ বছর বয়সী একজন বাস হেল্পার এর দৈনিক হাজিরা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা মাস শেষে ১৪, ১৫ হাজার টাকা হয়।


কেউ কোন ফ্যাক্টরীতে ২০ বছর কাজ করলে তার বেতন হয় ৫০হাজার টাকা, আর ২০ বছর পড়ালেখা করে যখন চাকরির জন্য যায়, তখন তার বেতন হয় ১০ হাজার টাকা। তাহলে আমরা কোথায় যাবো? স্কুলে না ফ্যাক্টরীতে?


হাজার হাজার - লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পড়ালেখা করে আজ শিক্ষিত মানুষগুলো পরিবারের, সমাজের এবং সবার কাছে অবহেলিত। রাষ্ট্র পড়ালেখা করার জন্য টাকা নিতে পারে। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করার পর টাকা ফিরিয়ে দিতে পারেনা!


অনেকেই বলবে ভাল করে পড়ালেখা করলে, ভাল রেজাল্ট করলে ভাল চাকুরী পাওয়া যায়। আসলেই কি পাওয়া যায়? নাকি মোটা অংকের Donation দিতে হয়?


ভাল রেজাল্ট না করলে পাশ দেওয়া হয় কেন? রাষ্ট্র যদি শিক্ষিত মানুষের চাকুরী দিতে না পারে তাহলে রাষ্ট্রের উচিত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া। তাহলে সন্তানদের পড়ালেখার জন্য বাবা মায়ের এতো কষ্ট করতে হতো না। টাকা গুলো সঞ্চয় হতো।


চাকরির অভাবে পরিপক্ক হওয়া ছেলেটা ২৮ বছরেও বিয়ে করতে পারে না।অন্যদিকে বয়স বাড়তে থাকা অবিবাহিত মেয়েটাও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারে না। না পারছে তারা উপযুক্ত ছেলেকে বিয়ে করতে, না পারছে পাড়া-পড়শির খোটা সহ্য করতে। শুধু এক বুক নিঃশ্বাস ফেলে আফসোস করছে- এ দেশে জন্ম নেয়ার জন্য।


আমাদের অবস্থা আজ এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেন গাধার দিকে তাকালে দেখতে পাই নিজের প্রতিচ্ছবি।


©

#collected

Syll Jam

 Syll Jam